Advertisement

মৃত্যুবার্ষিকীতে নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ অনুষ্ঠান

এশিয়া পোস্ট নিউজ, গাজীপুর
মৃত্যুবার্ষিকীতে নুহাশপল্লীতে হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণ অনুষ্ঠান
কয়েকটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্ররা নুহাশপল্লীতে কোরআন তেলাওয়াতের জন্য আসে। ছবি: এশিয়া পোস্ট

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৯ জুলাই)। লেখকের স্মৃতিবিজড়িত নন্দনকানন নুহাশপল্লীতে তার পরিবারের স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা প্রিয় লেখককে স্মরণ করতে হাজির হয়েছেন। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নুহাশপল্লীতে কোরআনখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

নুহাশপল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সকাল থেকে আশপাশের কয়েকটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্ররা নুহাশপল্লীতে কোরআন তেলাওয়াতের জন্য আসে। তারা কবর জিয়ারত ও দোয়ায় অংশ নেবে। হুমায়ূন আহমেদের দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিতসহ স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনও এসেছেন। পরিবারের লোকজন, ভক্ত ও বন্ধুরা কবর জিয়ারত ও মিলাদে যোগ দেবেন। দুপুরে মিলাদ মাহফিল শেষে এতিম শিশু ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হবে। ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

গাজীপুরের পিরুজালী এলাকার নুহাশপল্লীর লিচুতলায় সকাল থেকেই ভক্ত, কবি, লেখক আর নাট্যজনেরা ফুল হাতে শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন। হলুদ পাঞ্জাবিতে নন্দিত লেখকের প্রিয় চরিত্র ‘হিমু’ এবং নীল শাড়িতে‌ ‘রূপা’ সেজে আসেন অনেক ভক্ত ও পাঠক।

আগত ভক্তরা বলেন, এই লেখক বাঙালি পাঠক সমাজকে অফুরন্ত আনন্দ দিয়েছেন এবং বাংলা ভাষা যতদিন থাকবে, ততদিন হুমায়ূন আহমেদ পঠিত হবেন। তাকে স্মরণ করতেই প্রতি বছর এই নিভৃত পল্লীগ্রামে ছুটে আসা হয়। সৃষ্টিশীল কর্মের মাধ্যমে দেশের সকল ভক্ত ও অনুরাগীদের হৃদয়ে কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ চিরকাল বেচে থাকবেন।

১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। তার বাবা ফয়জুর রহমান ও মা আয়েশা ফয়েজ। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন হুমায়ূন আহমেদ।

বিষয় :গাজীপুর