দইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার

গাজীপুরে দইয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে এক গৃহবধূ ও তার কিশোরী মেয়েকে অচেতন করে ধর্ষণের চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি রাশিদুল পালোয়ানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাশিদুল পালোয়ান জয়দেবপুর থানার আড়গড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী সুমতি মজুমদারের ছেলে সজল মজুমদারের সঙ্গে অভিযুক্ত রাশিদুলের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। সেই সুবাদের গত ৭ জুলাই রাতে তাদের বাড়িতে দই পাঠান রাশিদুল। তবে কৌশলে ওই দইয়ে তিনি চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিলেন। দই খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বাদী ও তার কিশোরী মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে অচেতন হয়ে পড়েন। ওই দিন ভোরে রাশিদুল ও তার এক সহযোগী কৌশলে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে এবং অচেতন কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় কিশোরীর গোঙানি ও চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যদের ঘুম ভেঙে গেলে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় দুজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোনাবাড়ী এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি রাশিদুলকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মাইকেল বনিক জানান, মামলা দায়েরের পর প্রধান অভিযুক্ত রাশিদুল পালোয়ানকে রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি অভি কুমার দাসকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
.png)






