দুই পদ্ধতিতে জানা যাবে প্রাথমিকের বৃত্তির ফল

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
দুই পদ্ধতিতে জানা যাবে প্রাথমিকের বৃত্তির ফল
ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫’ এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় দেশব্যাপী মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ কোটায় বৃত্তি পেয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ফল ঘোষণা করা হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী, মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত থাকলেও চূড়ান্তভাবে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ কোটায় বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন।

দুই উপায়ে জানা যাবে ফলাফল

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে DPE লিখে একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানা যাবে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইপিইএমআইএস ওয়েবসাইটে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ অপশন নির্বাচন করে রোল নম্বর, জেলা ও উপজেলার তথ্য দিয়ে বিস্তারিত ফলাফল ও মার্কশিট দেখা যাবে।

ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ২৬ হাজার ৩৭৫ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ৬ হাজার ৫৯০ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ৩৬ হাজার ৪২০ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ৯ হাজার ৮৬১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৮৯২ জন (৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ) এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন (৫৪ দশমিক ৭১শতাংশ)।

এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় দেশব্যাপী মোট ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় ১৩ হাজার ২০৫টি। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মোট ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়েছিল, যার মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ২ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৪ জন। নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন (৬৫ দশমিক ১১ শতাংশ)।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুধু মেধা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।