‘ইসলামি গবেষণা পদ্ধতি শেখার বিকল্প নেই’

বর্তমান সময়ে ইসলামি গবেষণা পদ্ধতি শিখন ও প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। এমন মন্তব্য করেছেন সিটি ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী শাহাদাত কবীর। বাংলাদেশ ইসলামিক ল রিসার্চ অ্যান্ড লিগ্যাল এইড সেন্টার আয়োজিত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর পুরানা পল্টনে অবস্থিত ল রিসার্চ অডিটোরিয়ামে ‘অ্যাডভান্স কোর্স অন রিসার্চ মেথোডলজি ইন ইসলামিক স্টাডিজ’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইসলামি ও আরবি বিষয়ে গবেষণায় আগ্রহী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের অংশগ্রহণে কোর্সটি পরিচালিত হয়।
১০ সপ্তাহব্যাপী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে গবেষণার মৌলিক ধারণা, গবেষণা প্রবন্ধ রচনার কৌশল ও প্রকাশনা এবং গবেষণা প্রস্তাবনা লিখন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকরা।
কোর্সটি পরিচালনা করেন ড. মোহাম্মদ নাছের উদ্দিন। সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেন্টারের জেনারেল সেক্রেটারি ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কোর্স কোঅর্ডিনেটর ড. মুহাম্মদ রুহুল আমিন রব্বানি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কাজী শাহাদাত কবীর বলেন, গবেষণা পদ্ধতি শিখন ও প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। ইসলামি জ্ঞান-গবেষণায় গবেষণা পদ্ধতির প্রয়োগ বর্তমান সময়ের অনিবার্য দাবী। আর্থ-সামাজিক পরিমণ্ডলে ইসলামের প্রয়োগ, জ্ঞানের জগতে নতুন জ্ঞানসৃজন, মানবতার কল্যাণ এবং একাডেমিক ক্ষেত্রে প্রবন্ধ, এমফিল ও পিএইচডি অভিসন্দর্ভ রচনায় ‘অ্যাডভান্স কোর্স অন রিসার্চ মেথোডলজি ইন ইসলামিক স্টাডিজ’ অসামান্য অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। বাংলাদেশ ইসলামিক ল রিসার্চ অ্যান্ড লিগ্যাল এইড সেন্টারের এ উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। বাংলাদেশে ইসলামি জ্ঞান-গবেষণায় এটি একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান।
বিশেষ অতিথি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ল রিসার্চ সেন্টার ইসলামি গবেষণা প্রশিক্ষণ ও প্রকাশনায় অনন্য প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে প্রকাশিত ‘ইসলামী আইন ও বিচার’ আন্তর্জাতিক মানের জার্নাল। ইসলামী গবেষণার ক্ষেত্রে এটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
তিনি এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে ইসলামের প্রচার ও প্রসারে এগিয়ে আসতে গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।
সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ইসলামি গবেষণাভিত্তিক উচ্চমানের প্রশিক্ষণের আয়োজন বাংলাদেশ ইসলামিক ল রিসার্চ অ্যান্ড লিগ্যাল এইড সেন্টারের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক পরিসরে এ ধরনের কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।




