নাহিদের চার উইকেটেও বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৭১

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
নাহিদের চার উইকেটেও বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৭১
ছবি: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট

নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে একসময় জিম্বাবুয়ের বড় সংগ্রহের পথ আটকে দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ ওভারে ব্র্যাড ইভান্সের ঝড়ে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকেরা। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে ১৭০ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। জয়ের জন্য বাংলাদেশকে করতে হব স্কোরকার্ড

বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তবে শুরুতেই সুবিধা নিতে পারেননি সফরকারীদের বোলাররা। প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৫৪ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।

উদ্বোধনী জুটিতে ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি যোগ করেন ৩৭ রান। ৯ বলে দুই ছক্কায় ১৪ রান করা মারুমানিকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন নাহিদ। এরপর ডিওন মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন বেনেট। মায়ার্স ২০ বলে ২০ রান করে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকার হন।

জিম্বাবুয়ের সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে বেনেটের ব্যাট থেকে। ৩০ বলের ইনিংসে ছয়টি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি। দলীয় ৯০ রানে তাকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন নাহিদ।

অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৩ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় করেন ২০ রান। তাকেও থামান সাইফউদ্দিন। এরপর রায়ান বার্ল এক প্রান্ত ধরে রাখলেও অন্য প্রান্তে দ্রুত দুই উইকেট তুলে নেন নাহিদ। পরপর দুই বলে মিল্টন শুম্বা ও তাশিঙ্গা মুসেকিওয়াকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরি করেছিলেন তিনি।

১৭.৩ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ১৩৯। সেখান থেকে বার্ল ও ইভান্সের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে শেষ ১৫ বলে আসে ৩১ রান। নাহিদের করা শেষ ওভারেই চারটি চারসহ ১৮ রান নেয় জিম্বাবুয়ে। ইভান্স ১০ বলে চারটি চারে অপরাজিত ১৯ এবং বার্ল ২৫ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ৩০ রান করেন।

নাহিদ ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। সাইফউদ্দিনের দুটি উইকেট এসেছে ৩৫ রানে। উইকেট না পেলেও তাসকিন আহমেদ ৪ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ২২ রান।