
চিকিৎসক সংকটে ভুগছে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলো। জনবল সংকটে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো। এর মধ্যেই ৮৪৫ জন চিকিৎসককে কোনো দায়িত্ব না দিয়ে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করে রাখা হয়েছে। কোনো কাজ ছাড়াই নিয়মিত চলছে তাদের বেতন-ভাতা। শৃঙ্খলা ভঙ্গ, পদ জটিলতা ও রাজনৈতি

জন্মের তিন দিনের মাথায় মাকে হারায় আরিফিন ইসলাম আরফা। এবার ডেঙ্গুতে বাবাকেও (৪০) হারিয়েছে শিশুটি। আরফার বাবা মো. তাজুল ইসলাম রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আরফার জন্মের পর আট বছর একাই শিশুটির বাবা ও মায়ের দায়িত্ব পাল

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি মো. নাছির উদ্দিনকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওষুধ, সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ও প্যাথলজিসামগ্রী কেনাকাটায় এক কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলার আসামি তিনি। মন্ত্রণালয় নিয়োগ দি

পেটে পানি জমেছে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আব্দুল গাফফার মিয়ার (৫৫)। দ্রুত বাড়ছে ওজন। ভর্তি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে। তবে ছয় দিনেও মেলেনি শয্যা। বাধ্য হয়ে মেঝেতে তোশক বিছিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। শুধু আব্দুল গাফফার নন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রোগীর উপচে পড়া ভিড়ে পা ফেলার জায়গ

সারা দেশে গত ছয় মাসে বদলি হয়েছেন ৩ হাজার ৩২৩ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি মেডিকেল অফিসাররা। বদলি হওয়াদের দুই-তৃতীয়াংশ গেছেন ঢাকা ও আশপাশের জেলায়। তবে অনেক ক্ষেত্রেই এসব বদলির পেছনে রাজনৈতিক ট্যাগ ও প্রশাসনিক হয়রানির অভিযোগ সামনে আসছে। বরগুনার একটি উপজেলা হাসপাতালে দীর্ঘদিন কর্ম

পেটের এক পাশে ব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি আর দুর্বলতা নিয়ে ফুটপাত আর হাসপাতালে ঘুরেছেন জোসনা বেগম (৪২)। চিকিৎসকরা যখন জানালেন লিভার প্রতিস্থাপন ছাড়া বাঁচানো অসম্ভব, তখন এগিয়ে এলেন তার তরুণ ছেলে মো. সাজ্জাদ। নিজের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ দিয়ে দিলেন গর্ভধারিণী মায়ের জন্য। ছেলের দেওয়া সেই লিভারে ভর করেই

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চার দিনের চিকিৎসায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে রাজধানীর বনশ্রীর বাসিন্দা নাজমুন নাহার তামান্নার (৩১)। দেড় মাস পার হলেও এখনও শরীরের ব্যথায় কাতরাচ্ছেন তিনি। মাঝেমধ্যেই কাঁপুনি ওঠে। সিঁড়ি বেয়ে ওঠাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। নাজমুন নাহার তামান্না এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘ডেঙ্গুর উপসর্গ

দেশের ৪২৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে ১০১টিতেই বন্ধ এক্সরে সেবা। আল্ট্রাসনোগ্রাম হয় না আরও ১৯৬টি হাসপাতালে। বেশির ভাগেই মিলছে না ইসিজি পরীক্ষার সুযোগও। রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন গরিব রোগীরা। উপজেলা হাসপাতালের বার্ষিক বরাদ্দের ৭০ শতাংশ যায় ওষুধ কেনা

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া পেয়ারায় মিলেছে সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর ভারী ধাতু। বাণিজ্যিক বাগানের পেয়ারায় আর্সেনিক, সিসা, ক্যাডমিয়াম ও তামার উপস্থিতি অনুমোদিত সীমা ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা সাময়িকী ‘জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিসে’ গত আগস্টে প্রকাশিত এক গ

দেশের অর্ধেকেরও বেশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসক। এতে ব্যাহত হচ্ছে ন্যূনতম চিকিৎসাসেবা, চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা।

দেশের স্বাস্থ্য খাতে গত পাঁচ বছরে সরকারি বরাদ্দ কাগজে-কলমে দ্বিগুণ হয়েছে। তবে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমেনি, উল্টো বেড়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ছিল ৩২ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকায়। অথচ এই সময়ে রোগীর নিজস্ব খরচ কমার বদলে বেড়

রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ১৪ আগস্ট ফুসফুসে ক্যানসার আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যুর পর চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালান রোগীর স্বজনরা। দেশে চিকিৎসকদের এভাবে আক্রমণের শিকার হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের জরিপ বলছে, ৭৭ শতাংশেরও বেশি চিকিৎসকের মধ্যে সঠিক

দেশের পাঁচ শতাধিক সরকারি হাসপাতালে রোগ নির্ণয়ের আধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল, বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত—এ চার শ্রেণির হাসপাতালে প্রায় ৭ হাজার ৯২ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি রয়েছে। তবে এর সুফল পুরোটা পাচ্ছেন না সাধারণ রোগীরা। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দামি

প্রায় এক যুগ ধরে নিয়মিত মোটরসাইকেল চালান জুয়েল রানা (৪৫)। গ্রাম থেকে ঢাকায় আসা জুয়েলের উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম এখন মোটরসাইকেল। টানা অন্তত সাত ঘণ্টা চালাতে হয় তাকে। ফলে শরীরে, বিশেষ করে হাঁটুতে ব্যথা ও মাংসপেশিতে একধরনের কামড় অনুভব করেন জুয়েল। সেই ব্যথা দূর করতে ফুটপাতে বিক্রি হওয়া ম্যাসাজা

রোগীর কল্যাণের কথা বলে জাকাত সংগ্রহ করে আহছানিয়া মিশন ক্যানসার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল। এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তির থেকে প্রতি বছর বড় অঙ্কের অনুদান পায় হাসপাতালটি। কিন্তু সেই টাকা রোগীর পেছনে খরচ না করে জমা রাখছে ব্যাংকে। তাতে মিলছে বড় অঙ্কের সুদ। পাশাপাশি নিজেদের ব্যবসা প

দেশে চিকিৎসার পেছনে ১০০ টাকা খরচ হলে ৬৪ টাকাই খরচ হয় ওষুধের পেছনে। চড়া দামের ওষুধ কিনতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নতুন ওষুধ নীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পদ্ধতিগত ভুলের কারণে তা ভেস্তে যায়।