কারাবন্দি সাবেক এমপি লায়লা পারভীনকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারের নির্দেশ

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক সংসদ সদস্য লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর (শ্যোন অ্যারেস্ট) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৩ জুলাই) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালত এই নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনাথ মিত্রের আবেদনের শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন।
২০২৫ সালের ২০ মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন লায়লা পারভীন সেঁজুতি। বিশেষ ক্ষমতা আইন, নাশকতা ও একাধিক হত্যাসহ ধারাবাহিক বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি যশোরের পিকনিক কর্নার এলাকায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায় লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট সাতক্ষীরা-১ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি করেন কাশেমপুর গ্রামের ইমদাদুল হক। পরে আদালতের নির্দেশে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সাতক্ষীরা সদর থানায় দণ্ডবিধির ৪৬৪, ৩০২, ২০১, ১৪৯ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত হয় (জিআর নং-৪০৩/২৪)।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার ভাই শহিদুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে পুলিশ সদস্য ও তৎকালীন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান। পরে যশোরের পিকনিক কর্নার এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয়। সে সময় ঘটনাটি হত্যা হিসেবে আমলে না নিয়ে ইউডি (অপমৃত্যু) মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
লায়লা পারভীন সেঁজুতির আইনজীবী প্যানেলের সদস্য আল মাহামুদ পলাশ বলেন, হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরও নতুন নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। একাধিক মামলায় তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন।





