Advertisement

১ আগস্ট: ইতিহাসের পাতায় আজকের দিন

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
১ আগস্ট: ইতিহাসের পাতায় আজকের দিন
ছবি: সংগৃহীত

সময়ের অবিরত প্রবাহে মানবসভ্যতার অগ্রগতি, রূপান্তর ও নানা স্মৃতি বহন করে প্রতিটি দিন। উল্লেখযোগ্য ঘটনা, প্রজ্ঞাবান মনীষীদের পদচারণা, নতুন সৃষ্টি আর বেদনার বিদায়—সব মিলিয়েই গড়ে ওঠে ইতিহাসের পথচলা।

আজ শনিবার, ১ আগস্ট। ইতিহাসের এই দিনে ঘটেছে নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, জন্ম নিয়েছেন এবং চিরবিদায় নিয়েছেন অনেক আলোচিত ও স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আজকের দিনের বিশেষ অধ্যায়গুলো।

ঘটনাবলি

১৪৯৮: ইতালীয় নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে প্রথম পদার্পণ করেন।

১৬৪৮: স্বাধীন দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায় সুইজারল্যান্ড।

১৬৭২: ব্রিটিশ বিচারব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।

১৬৯৮: ইংরেজ কুঠিয়াল জব চার্নক কলকাতা নগরের পত্তন করেন।

১৭৭৩: ব্রিটিশ সংসদ ভারতীয় উপমহাদেশে শাসন সংস্কারের লক্ষ্যে 'রেগুলেটিং অ্যাক্ট' পাস করে।

১৭৭৪: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অধিকৃত ভারতবর্ষের রাজধানী করা হয় কলকাতাকে।

১৭৭৪: রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্টলি মৌলিক উপাদান 'অক্সিজেন' আবিষ্কার করেন।

১৮৩৪: ব্রিটিশ উপনিবেশগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে দাসপ্রথা বিলুপ্ত করা হয়।

১৮৬১: দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অর্থায়নে ও মনোমোহন ঘোষের সম্পাদনায় পাক্ষিক 'ইন্ডিয়া মিরর' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৮৯৪: কোরিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যে প্রথম যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯১৪: জার্মানি রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

১৯২০: কলকাতায় ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব 'ইস্টবেঙ্গল' প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৩: ভারতের সকল বেসরকারি বিমান সংস্থাকে জাতীয়করণ করে 'ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স' গঠন করা হয়।

১৯৬০: ফরাসি উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে আফ্রিকার দেশ বেনিন।

১৯৬৪: বেলজিয়ান কঙ্গোর নাম পরিবর্তন করে 'রিপাবলিক অব কঙ্গো' রাখা হয়।

১৯৬৭: পূর্ব জেরুসালেমকে নিজ ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত করে নেয় ইসরায়েল।

১৯৭১: বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থনে নিউইয়র্কের ঐতিহাসিক ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৭২: স্বাধীন বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় লাতিন আমেরিকার দেশ পেরু।

১৯৭৫: ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়।

জন্ম

১৭৪৪: জঁ-বাতিস্ত লামার্ক, প্রখ্যাত ফরাসি বিবর্তনবাদী প্রকৃতিবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৮৬১: স্যামি জোন্স, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৮৬৮: মহেন্দ্রনাথ দত্ত, বিশিষ্ট বাঙালি লেখক ও স্বামী বিবেকানন্দের অনুজ।

১৮৮১: অর্ধেন্দুকুমার গঙ্গোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি শিল্প-সমালোচক ও অধ্যাপক।

১৮৮৫: গেয়র্গ ডে হেভেসি, নোবেলজয়ী হাঙ্গেরীয়-জার্মান রসায়নবিদ।

১৮৯৫: গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য, প্রখ্যাত বাঙালি পতঙ্গবিশারদ ও উদ্ভিদবিদ।

১৯১৫: মমতাজ আলী খান, প্রখ্যাত বাংলাদেশি লোকসঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার।

১৯১৯: মির্জা নূরুল হুদা, বিশিষ্ট অর্থশাস্ত্রবিদ ও পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর।

১৯১৯: স্ট্যানলি মিডলটন, বুকার পুরস্কারবিজয়ী ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক।

১৯২২: এ কে নাজমুল করিম, বিশিষ্ট বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী।

১৯২৪: স্যার ফ্রাঙ্ক ওরেল, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও জামাইকান সিনেটর।

১৯২৮: জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান, প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসক।

১৯৩০: অধ্যাপক ফজলুল হালিম চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিজ্ঞানী।

১৯৩৩: মীনা কুমারী, প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও কবি।

১৯৩৫: জিওফ পুলার, সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৩৮: খন্দকার নাজমুল হক, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।

১৯৪০: ডা. মোজাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশি চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।

১৯৪২: আব্দুর রাজ্জাক, প্রখ্যাত বাঙালি রাজনৈতিক নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী।

১৯৪৬: খুরশিদ আলম, বরেণ্য বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী।

১৯৪৮: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ।

১৯৫৫: অরুণ লাল, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।

১৯৫৬: মোহন রায়হান, স্বনামধন্য বাংলাদেশী কবি ও প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব।

১৯৬২: আবু সাইয়ীদ, বিশিষ্ট বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা।

১৯৬৩: দেমিয়ান বিচির, মেক্সিকান-মার্কিন অভিনেতা।

১৯৬৫: স্যাম মেন্ডেজ, অস্কারজয়ী ইংরেজ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৯৭: নিগার সুলতানা জ্যোতি, বাংলাদেশি প্রমিলা ক্রিকেটার।

মৃত্যু

৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ: মার্ক অ্যান্টনি, প্রখ্যাত রোমান জেনারেল ও রাজনীতিবিদ।

১১৩৭: ষষ্ঠ লুই, ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা।

১৮৪৬: প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর, জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রখ্যাত উদ্যোক্তা।

১৯১১: কনরাড ডুডেন, বিখ্যাত জার্মান ভাষাবিদ।

১৯২০: বাল গঙ্গাধর তিলক, ভারতীয় পণ্ডিত, সমাজ সংস্কারক ও স্বাধীনতা সংগ্রাম নেতা।

১৯২৯: ড. রমেশচন্দ্র ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি শিক্ষক ও বিজ্ঞানী।

১৯৪৪: ম্যানুয়েল এল. কুয়েজন, ফিলিপাইনের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও শীর্ষ রাজনীতিবিদ।

১৯৭০: অটো ভারবুর্গ, নোবেলজয়ী জার্মান শারীরতত্ত্ববিদ ও চিকিৎসক।

১৯৭৭: জহর রায়, বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি কৌতুকাভিনেতা।

১৯৮২: জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী, প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৮৫: স্যান্ডি বেল, সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৮৭: বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট আইনজ্ঞ।

১৯৯৯: নীরদচন্দ্র চৌধুরী, খ্যাতনামা বাঙালি লেখক ও সংস্কৃতিবিদ।

২০০০: আলী সরদার জাফরি, প্রখ্যাত উর্দু কবি ও জ্ঞানপীঠ পুরস্কারপ্রাপ্ত সাহিত্যিক।

২০০৫: ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ, সৌদি আরবের সাবেক বাদশাহ।

২০০৯: কোরাজন অ্যাকুইনো, ফিলিপাইনের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি।

২০১৪: এল. কে. সিদ্দিকী, বাংলাদেশের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও রাজনীতিবিদ।

২০২০: উইলফোর্ড ব্রিমলি, খ্যাতিমান মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক।

২০২১: আবদাল কাদির আস-সুফি, স্কটিশ ইসলামী পণ্ডিত ও লেখক।

দিবস ও অন্যান্য

স্কাউট স্কার্ফ দিবস

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সূচনা দিন