ক্রোয়েশিয়ার গোল কেন বাতিল, ব্যাখ্যা দিল ফিফা

পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে ক্রোয়েশিয়া ভেবেছিল ম্যাচে ফিরেছে তারা। যোগ করা সময়ের ১৩তম মিনিটে জশকো গভারদিওল কাছ থেকে বল জালে পাঠান। গোল হলে ম্যাচ ২-২ হয়ে অতিরিক্ত সময়ে যেত। কিন্তু ভিএআর পরীক্ষার পর গোলটি বাতিল হয়। এবার সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা।
ঘটনার শুরু বাঁ দিক থেকে আসা ক্রসে। মারিও পাসালিচ পরে বল বাড়ান গভারদিওলের দিকে, আর সেখান থেকেই গোল। প্রথম দেখায় মনে হচ্ছিল, পাসালিচ মূল ক্রসের সময় অনসাইডে ছিলেন। কিন্তু মাঝখানে বল ইগর মাতানোভিচের মাথায় সামান্য ছুঁয়ে যায় কি না, সেটিই ছিল মূল প্রশ্ন।
ফিফা জানিয়েছে, ম্যাচের অফিসিয়াল ট্রিয়ন্ডা বলের ভেতরে থাকা কানেক্টেড বল প্রযুক্তির তথ্য অনুযায়ী, বলটি ক্রোয়েশিয়ার ২০ নম্বর খেলোয়াড় মাতানোভিচকে স্পর্শ করেছিল। সেই স্পর্শের পর নতুন ফেস অব প্লে ধরা হয়। তখন পাসালিচ অফসাইড পজিশনে ছিলেন এবং পরে তিনি গভারদিওলকে বল দেন। তাই নিয়ম অনুযায়ী গোলটি বাতিল করা হয়।
ফিফার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ট্রিয়ন্ডা বলের ভেতরের ইমু সেন্সর সামান্যতম স্পর্শও শনাক্ত করতে পারে। সম্প্রচারে এটি ‘হার্টবিট গ্রাফ’ আকারে দেখানো হয়, অনেকটা ক্রিকেটের স্নিকো-মিটারের মতো। খুব সূক্ষ্ম স্পর্শও তাই প্রযুক্তিতে ধরা পড়ে।
According to the data provided by Connected Ball Technology housed within the @adidasfootball Trionda, the official match ball of the @FIFAWorldCup, it was proven that contact was made by Croatia's #20 Igor Matanović in the build up to the goal against Portugal, allowing the… pic.twitter.com/AyBz11N3wV
— FIFA Media (@fifamedia) July 3, 2026
ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড়রা সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট ছিলেন। লুকা মদরিচও ম্যাচ শেষে বলেন, রিপ্লেতে স্পর্শ দেখা যায়নি। তাদের দাবি ছিল, যদি মাতানোভিচ বল না ছুঁয়ে থাকেন, তাহলে পাসালিচ অফসাইড ছিলেন না।
কিন্তু ফিফার অবস্থান পরিষ্কার: সেন্সরের তথ্য অনুযায়ী স্পর্শ ছিল, তাই অফসাইড সিদ্ধান্ত সঠিক। সেই সিদ্ধান্তেই ২-১ গোলে জিতে শেষ ষোলোয় উঠেছে পর্তুগাল। আর প্রযুক্তির এক সূক্ষ্ম সংকেতেই শেষ হয়ে গেছে ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বকাপ।





