‘এক-চীন’ নীতিতে সমর্থন নামিবিয়ার

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নামিবিয়ার প্রেসিডেন্ট নেতুম্বো নান্দি-এনদাইতওয়াহ। এ সময় আফ্রিকার দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান জানান, তার দেশ ‘এক-চীন’ নীতি অনুসরণ করে চলে এবং তাইওয়ানকে চীনের মূল ভূখণ্ডের অংশ বলেও বিশ্বাস করে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে লি ছিয়াং বলেন, আফ্রিকায় নামিবিয়া চীনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বেইজিং দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং একে অপরের মূল স্বার্থ ও উদ্বেগের বিষয়ে দৃঢ় সমর্থন জানাতে আগ্রহী। একই সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে দুই দেশের আধুনিকায়নকে ত্বরান্বিত করতে চায় চীন।
উভয় পক্ষকে উন্নয়নে সমন্বয় জোরদার, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিধি সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামো নির্মাণসহ খনিজ, তেল ও গ্যাস, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান চীনের প্রধানমন্ত্রী।
লি ছিয়াং বলেন, চীন নামিবিয়া থেকে আরও বেশি উচ্চমানের কৃষি ও মৎস্যপণ্য আমদানি করতে প্রস্তুত। পাশাপাশি সক্ষম চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নামিবিয়ায় বিনিয়োগে সহায়তা করবে এবং চীনে রপ্তানি বাড়াতে শুল্কমুক্ত সুবিধাসহ বেইজিংয়ের বিভিন্ন নীতির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে নামিবিয়াকে উৎসাহিত করবে।
তিনি আরও বলেন, এর বাইরে পর্যটন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং যুব বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদান-প্রদান আরও গভীর করতে ও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক কাঠামোর অধীনে নামিবিয়ার সঙ্গে সমন্বয় জোরদারে প্রস্তুত রয়েছে চীন।
বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে অবস্থান করছেন নামিবিয়ার প্রেসিডেন্ট নান্দি-এনদাইতওয়াহ। বৈঠকে তিনি বলেন, জাতীয় স্বাধীনতা অর্জন ও উন্নয়নের পথে চীন নামিবিয়াকে যে মূল্যবান সহায়তা দিয়েছে, তা তারা সবসময় স্মরণ রাখেন। নামিবিয়া দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীন’ নীতি অনুসরণ করে এবং দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বে আরও সাফল্য অর্জন করতে বেইজিংয়ের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও প্রভাবকে নামিবিয়া অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে নান্দি-এনদাইতওয়াহ আরও বলেন, আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বহুপাক্ষিক পর্যায়ে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় আরও জোরদার করতে তার দেশ আগ্রহী।
সূত্র: সিএমজি





