ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আজ চট্টগ্রাম যাচ্ছেন বিরোধীদলীয় নেতা

মৌসুমি বায়ুর কারণে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম ও আশপাশের পাহাড়ি অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। দুর্যোগে এ পর্যন্ত ৩০ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
জেলার ক্ষতিগ্রস্ত এসব এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার সহকারী মুজিবুল আলমের সই করা এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম এবং আশেপাশের পাহাড়ি অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং অসংখ্য পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।’
‘জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ১০ জুলাই (শুক্রবার) সকালে বাঁশখালী এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর কয়েকটি দুর্যোগ আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন। তিনি ঢাকা থেকে সকাল আটটার ফ্লাইটে রওনা হয়ে সরাসরি বাঁশখালীতে যাবেন। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীতে এসে জুমার সালাহ আদায় করবেন এবং মহানগরীর কয়েকটি দুর্যোগপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করবেন।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘পরিদর্শনকালে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেবেন, স্থানীয় প্রশাসন ও সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। পাশাপাশি তিনি চলমান উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।’
এদিকে চট্টগ্রাম বিভাগে গত পাঁচ দিনের অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসের দুর্যোগে এ পর্যন্ত ৩০ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় বলছে, দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ, চাল ও শিশু খাদ্য বাবদ জরুরি ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের ক্ষয়ক্ষতি ও জেলা প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপের সর্বশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।





